আসামের এক পাহাড় ঘেরা গ্রাম চাপটুক। সেই গ্রামেরই এক কনভেন্ট স্কুলে একের পর এক ঘটে চলেছে রহস্য জনক আত্মহত্যা। কিন্তু কেন? কেন সারা স্কুল জুড়ে ঝোলানো আছে অসংখ্য ছোট ছোট মন্ত্র লেখা বাঁশের টুকরো? কেন সম্পূর্ণ স্কুল জুড়ে চালু হয়েছে অদ্ভুত সব নিয়ম? কী হবে স্কুলের গ্রাউন্ডে রক্ত পড়লে?
স্কুলের রাইট উইং এর তিনতলা কেন ছাত্রদের জন্য নিষিদ্ধ? কেন রাতের বেলা হোস্টেল রুম থেকে বাইরে পা রাখা পর্যন্ত নিষেধ এখানে? কেন রাত দশটার পর লক করে দেওয়া হয় স্কুলের সমস্ত টয়লেট? কী ঘটছে দি হোপ হাইস্কুলে?
দি হোলি প্যাসেরাইন হাসপাতালে একের পর এক ভর্তি হচ্ছে অদ্ভুত সব পেশেন্ট। রাতারাতি তাদের শরীরে গজিয়ে উঠছে একাধিক হাত পা। ভয়ংকর রকমের হিংস্র হয়ে উঠছেন তারা! কী ঘটছে এই প্রত্যন্ত পাহাড়ি হাসপাতালে!
আসামের সবচাইতে প্রাচীন জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি হল দিমাসা সম্প্রদায়। কেউ বলে তারা মহাভারতের ভীম পত্নী হিরিম্বার বংশধর আবার কারও মতে তার বহুদূর চীনের পশ্চিম প্রান্ত থেকে আসা যাযাবর মাত্র। কিন্তু কোন অন্ধকার লুকিয়ে আছে তাদের লোককথায়? কোন ভয়ংকর যোগসূত্রে বাধা হয়ে যাচ্ছে এই সবকটি ঘটনা!
কার ফিরে আসা নিয়ে দি হোপ হাই স্কুলের প্রত্যেকে আতঙ্কিত! কে এই সুইটু? কেন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা দিনের আলোতে পর্যন্ত তার নাম মুখে নিতে ভয় পায়?
কী হবে যখন দি হোপ হাইস্কুলে শুরু হবে সুইটুর খেলা?
জানতে হলে পড়ুন "ঝুমনি", "আখিদা" এবং "চিগারু"র পর ত্রিজিৎ করের সম্পূর্ণ নতুন হরর থ্রিলার উপন্যাস, "সুইটু"!